শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত মার্চ থেকেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। গত ৮ মার্চ ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫১ টাকা ৩০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৭৭ টাকা ১০ পয়সায় এসে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ১৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের অনুমোদিত মূলধন ৭৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০। এর মধ্যে ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩ দশমিক শূন্য ৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।